1. amd477271@gmail.com : admin : প্রভাত সংবাদ
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : dainikbangladesh : Shah Zoy
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কুমারখালীতে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মৌসুমী আক্তার প্রচারণায় এগিয়ে কুমারখালীতে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তুষারের ব্যাপক জনসংযোগ কুমারখালীর গড়াই রেল ব্রিজের নীচ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার মহাসড়কে দুর্ঘটনা হ্রাস ও নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে কুমিল্লা রিজিয়ন কর্তৃক বিশেষ অভিযানে প্রসিকিউশন ১৭০টি, থ্রি হুইলার আটক ৪০টি ও দেড় কাজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ১ কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানার পুলিশ সদস্যদের জন্য ওরস্যালাইন, গ্লুকোজ ও পানি দিচ্ছেন অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম আতাউর রহমান আতা ভাই কে আবারো জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টুকু দিয়ে কাজ করে চলেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস

কুমিল্লায় প্রবাসী হত্যায় স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, মেয়ের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবাদী কন্ঠস্বর  ডেস্কঃ
কুমিল্লার চান্দিনায় প্রবাসী শহীদ উল্যা হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও মেয়েকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লার চান্দিনা থানার কাশারীখোলার নিহত শহীদ উল্ল্যার স্ত্রী হাছনেয়ারা বেগম ওরফে হাছেনা, একই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে মো. শাহজাহান, মৃত মধু মিয়ার ছেলে মো. আমির হোসেন ও মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে মো. মোস্তফা (পলাতক) এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন নিহতের মেয়ে মোছাঃ খাদিজা বেগম ওরফে খোদেজা।

রায় ঘোষণার সময় আমির হোসেন, হাছনেয়ারা ও খাদিজা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আর মো. মোস্তফা ও শাহজাহান পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়- কুমিল্লা চান্দিনা থানার কাশারীখোলার ছায়েদ আলীর মেঝো ছেলে ভিকটিম শহীদ উল্ল্যা ওরফে শহীদ (৪৮) দীর্ঘদিন ৮/৯ বছর যাবত বিদেশে থাকার পর বাড়িতে আসে ২০০৯ সালে ২১ নভেম্বর দিবাগত রাত ৪টার দিকে লোকজনের চিৎকার শুনিয়া ঘুম থেকে ওঠে বাদী জানতে পারে যে, শহীদ উল্যাকে পাওয়া যাইতেছে না। এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে ভোরে গ্রামের মাঠের ধান ক্ষেতের মধ্যে শহীদ উল্যার লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবার দিলে পুলিশ এসে সুরতহাল তৈরী করে লাশটি নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ২০০৯ সালের ২২ নভেম্বর রাতে নিহতের বড়ভাই হাবিব উল্যা ওরফে আরব আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তারেক এবং মো. আ. হান্নান তদন্তে এ হত্যার সঙ্গে নিহতের স্ত্রী-কন্যাসহ অপর দুজনর সম্পৃক্ততা পান। পরে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
অতঃপর আসামিগণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আনিত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১০ সালের ৩১ মার্চ হোছনেয়ারা বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরবর্তীতে ২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় বিধানমতে চার্জ গঠন করিলে রাষ্ট্রপক্ষে মানীত সাক্ষীর মধ্যে ৮জন এবং আসামি পক্ষে একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণাকালে আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন আমির হোসেন, হোছনেয়ারা ও খাদিজা বেগম উপস্থিত ছিলেন আর বাকি দুজন মো. মোস্তফা ও শাহজাহান অনুপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন এবং অ্যাডভোকেট মো. মফিজুল ইসলাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন