1. amd477271@gmail.com : admin : প্রভাত সংবাদ
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : dainikbangladesh : Shah Zoy
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কুমারখালীতে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মৌসুমী আক্তার প্রচারণায় এগিয়ে কুমারখালীতে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তুষারের ব্যাপক জনসংযোগ কুমারখালীর গড়াই রেল ব্রিজের নীচ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার মহাসড়কে দুর্ঘটনা হ্রাস ও নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে কুমিল্লা রিজিয়ন কর্তৃক বিশেষ অভিযানে প্রসিকিউশন ১৭০টি, থ্রি হুইলার আটক ৪০টি ও দেড় কাজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ১ কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানার পুলিশ সদস্যদের জন্য ওরস্যালাইন, গ্লুকোজ ও পানি দিচ্ছেন অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম আতাউর রহমান আতা ভাই কে আবারো জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টুকু দিয়ে কাজ করে চলেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস

খাজানগরের দুই শিশুকে যৌন নির্যাতনকারী লম্পট নাটোর থেকে গ্রেফতার

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ায় মিষ্টি কিনে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে দুই শিশু কন্যাকে যৌন নিপীড়নকারী পলাতক সোবাহান হোসেন(৪৮)কে ঘটনার ২৫ দিন পর নাটোর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কুষ্টিয়ায় মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোরে এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে সোবাহানকে গ্রেফতার করেন। পরবর্তিতে রবিবার (৬ আগষ্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের খাজানগরে (১২ জুলাই) দুপুরে শিশু কন্যার মা তার (অটো রাইস মিলের শ্রমিক) বাবার জন্য দুপুরের খাবার নিয়ে অটো রাইচ মিলে যায়। ওই সুযোগে তাদের ৫ বছর বয়সী ও তার ভাইয়ের ৩ বছর বয়সী শিশুকন্যাকে ফাঁকা বাড়িতে পেয়েে তাদের মজা (মুদি দোকানের মিষ্টি) কিনে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশী জমির হোসেনের ছেলে সোবাহান। নিজ ঘরে নিয়ে দু’শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুরা চিৎকার করলে পরে তাদের হাতে ৫ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

শিশু দু’জন বাড়িতে ফিরে এসে তাদের মায়ের কাছে ঘটনার কিছু বিবরণ দেয়। তারা জানায় সোবহান তার সঙ্গে কী করেছে, বিষয়টি নিয়ে শিশুর মা বাবা সোবাহানের বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোকজন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে দুই শিশুর তলপেটের নিচে ব্যথা অনুভব করলে পরিবারের লোকজন তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে। এরই মাঝে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সোবাহান।

শিশুর বাবা বলেন, ঘটনার দিন আমি রাইচ মিলে ছিলাম। বাড়ি থেকে বিষয়টি জানালে আমি আমার ভাইয়ের মেয়েকে সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি করি এবং ১২ জুলাই রাতে সোবহানের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করি। এর পর থেকে সোবাহান পলাতক ছিল। এখন গ্রেফতার হয়ে আমি সঠিক বিচার চাই।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এই সুবাহানের বিরুদ্ধে প্রতারণা সহ নোংরামির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাকে নিয়ে এলাকায় সালিশ বিচার করা হয়েছে তবুও সে নিজেকে সংশোধন করেনি। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিন্টু ফকির বলেন, ঘটনাটি শোনার পর দুই শিশু কন্যার চিকিৎসা দেয়ার জন্য দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছিলাম । পরবর্তীতে আমি নিজে হাসপাতালে গিয়ে বাচ্চাদের খোঁজ খবর নেয়। পরে চিকিৎসা নিয়ে শিশুজনকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই আসামী সোবাহান পলাতক থাকায় তাকে পুলিশ খুঁজছিল । অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে। এ ঘটনার সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীর শাস্তি দাবি করেন তিনি।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ঘটনার পর (১২ জুলাই) শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেন। ঘটনার পর আসামী সোবহান পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (৫ আগষ্ট) রাতে নাটোরে এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে সোবাহানের মেয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে আসামীকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন