1. amd477271@gmail.com : admin : প্রভাত সংবাদ
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : dainikbangladesh : Shah Zoy
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কুমারখালীতে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মৌসুমী আক্তার প্রচারণায় এগিয়ে কুমারখালীতে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তুষারের ব্যাপক জনসংযোগ কুমারখালীর গড়াই রেল ব্রিজের নীচ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার মহাসড়কে দুর্ঘটনা হ্রাস ও নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে কুমিল্লা রিজিয়ন কর্তৃক বিশেষ অভিযানে প্রসিকিউশন ১৭০টি, থ্রি হুইলার আটক ৪০টি ও দেড় কাজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ১ কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানার পুলিশ সদস্যদের জন্য ওরস্যালাইন, গ্লুকোজ ও পানি দিচ্ছেন অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম আতাউর রহমান আতা ভাই কে আবারো জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টুকু দিয়ে কাজ করে চলেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস

মামলা খেয়ে অজ্ঞান মোটরসাইকেল চালক

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার

শরীয়তপুরে ট্রাফিক পুলিশের টাউন সাব ইন্সপেক্টর মো. নেছার উদ্দিন জমাদ্দার নামে এক মোটরসাইকেল চালককে ৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়ায় অজ্ঞান হয়ে যান তিনি।

সোমবার (২১ আগস্ট) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নেছার উদ্দিন শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার মাছুয়াকান্দি গ্রামের আব্দুল লতিফ জমাদ্দারের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালান।

এ বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আজ (সোমবার) দুপুরে শরীয়তপুর শহর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে গোসাইরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন নেছার। এ সময় তার মোটরসাইকেলে দুইজন যাত্রী ছিলেন। তিনি যাত্রী নিয়ে শরীয়তপুর পৌরসভার মনোহর বাজার মোড় এলাকায় পৌঁছালে তাকে দাঁড় করিয়ে কাগজপত্র দেখতে চান টাউন সাব ইন্সপেক্টর ফজলুল করিম। মোটরসাইকেল চালক নেছারে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ ছিল। ফলে সাব ইন্সপেক্টর ফজলুল করিম ওই মোটরসাইকেল চালককে ট্রাফিক আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জরিমানার টাকার অঙ্ক দেখে নেছার উদ্দিন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে নেছারের সঙ্গে থাকা দুই যাত্রী তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে চলে যান।

টাউন সাব ইন্সপেক্টর ফজলুল করিম বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় আমি তাদের দাঁড় করাই এবং কাগজপত্র দেখতে চাই। সব কাগজপত্র দেখার পরে তার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করি। জরিমানার অঙ্ক দেখেই মাথা ঘুরে হঠাৎ করে পড়ে যান তিনি।

শরীয়তপুর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. আবু সাঈদ বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। ওই ব্যক্তি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিল কিনা, কে জানে। তিনি এখন সুস্থ আছেন, বাড়িও ফিরে গেছেন।

নেছার উদ্দিন বলেন, আমাকে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করান। তখন তাকে জানাই আমি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাই। তবুও তিনি সব ধরনের কাগজপত্র দেখতে চান। আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ চলে গেছে এটা জানতাম না। আমি তাকে অনেক অনুরোধ করি, কিন্তু আমাকে ৫ হাজার টাকার মামলা দেন তিনি।

আমি গরিব মানুষ। এত টাকা কোথা থেকে দেব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন