বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার পুনর্বহালের দাবিতে শিগগিরই এক দফার আন্দোলনে যাচ্ছে বিএনপি। আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই এই ঘোষণা আসছে।
জানা গেছে, বিএনপির এক দফা আন্দোলনের মূল টার্গেট হচ্ছে ঢাকা। বড় সমাবেশ করে সরকার পতনের অভিন্ন একদফা আন্দোলন গড়ে তুলতেই নানা পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। একই দিনে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রতিটি কর্মসূচিতে বিপুল সমাগম ঘটিয়ে সরকারকে ‘না’ বলে দেয়ার টার্গেট নেয়া হচ্ছে। অতীত আন্দোলনের অভিজ্ঞতায় দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, ঢাকায় জোরালো আন্দোলন ছাড়া সরকার পতন সম্ভব নয়।
“আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কড়া নজরে বাংলাদেশের নির্বাচন” এই শিরোনাম নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে মানবজমিন পত্রিকা। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনার সারাহ কুক সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন টক শোতে বলেছেন, বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রাধান্য বৃদ্ধির কারণে নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে যথেষ্ট আগ্রহ থাকবে।
সারাহ কুকের পূর্বসূরি রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনও ১৫ মাস আগে মানবজমিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের আগে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায়। বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান।
নির্বাচন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস তথা তার দেশের অবস্থান অবশ্য পুরোপুরি স্পষ্ট। মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঘন ঘন বাংলাদেশে সফর করছেন এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসের অনুষ্ঠানগুলোতেও এ নিয়ে কথা বলছেন বিদেশি দূতরা।
সরকারি প্রকল্পে কারসাজি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “আগেই জমি কিনে নেন মন্ত্রী ও তাঁর ছেলেমেয়ে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মানিকগঞ্জের সরকারি ওষুধ কারখানার জন্য যে সাড়ে ৩১ একর জমি প্রস্তাব করা হয়েছে সেখানকার ২৬ একরেরও বেশি জমি কিনে নিয়েছনে মন্ত্রী, তার ছেলে-মেয়ে এবং ফুফাতো ভাই।
এই জমি ভরাট করে ভিটি শ্রেণীতে পরিবর্তন করে দ্বিগুণ দাম দেখিয়ে দান করছেন। এতে ওষুধ কারখানা স্থাপনের প্রকল্প পাশ হওয়ায় সরকার এখন এই জমি অধিগ্রহণ করতে গেলে তাকে সর্বশেষ মূল্যের তিনগুণ বেশি টাকা দিতে হচ্ছে।
অর্থাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মেয়ে সাত কোটি টাকায় যে জমি কিনেছেন সেটা সরকার অধিগ্রহণ করলে ৪০ কোটি টাকা পাবেন তিনি বা তার স্বামী। বাকিদের ক্ষেত্রেও তাই।
জমি প্রকল্প পাশের পর ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরুর পর্যায়ে জেলা ভূমি ব্যবস্থাপনা কমিটির পর্যালোচনায় প্রস্তাবিত জমি নিয়ে এমন কারসাজির বিষয়টি উঠে আসে।